Shards of Other Mind

December 21, 2019

I can see the light. It’s far above me. I’m struggling to reach. But I’m drowning. I’m drowning in a pitch-black hollow..… deeper and deeper. Oxygen is less. To breathe is becoming harder. Extending my hands, I’m trying to grab something but failing. My eyes are closing on their own accord. Suddenly I flutter open my eyes. I am in my room. It was just a dream rather should I call a nightmare. A nightmare that is haunting me periodically. I can feel sweat drops all over my face. I glanced at my bed-side table. The clock is showing 5.34am now. I still have time to open my book shop. The lamp on my work table is still on, luring my attention to the blank pages of the notebook. An unfinished novel is calling me. My feet found their way towards it. Time to get some work done.

অসম্ভবের হাতছানি

June 07, 2019

আজ বোধ হয় ট্রেনটা মিস্ হবেই।".....আপ তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস পাঁচ নম্বর প্লাটফর্মে আসছে...." যাক এখনও আসেনি। হাঁফাতে হাঁফাতে স্টেশনে ঢুকল তৃষা। হাতঘড়িতে দেখলো দশটা। একটু দম ফেলে হাঁটা লাগলো ওভারব্রিজের দিকে।আজ মালদা স্টেশনে ভিড় টা একটু বেশিই মনে হচ্ছে না? আহ্, নিজেকেই আলতো করে বকে দিল তৃষা। কাল মহালয়া না! ওর মতো আরও যে অনেকে বাড়ি ফিরছে। একটা মৃদু হাসি ছুঁয়ে গেলো ঠোঁটের কোনায়। ওভারব্রিজের কাছে পৌঁছাতেই কেও যেনো হালকা টান দিল ওর হাতে। পিছন ঘুরে দেখে এক বৃদ্ধা।

অন্তিম আশা

June 07, 2019

নাঃ। আর পারা যাচ্ছে না। ব্যাগটা চেয়ারের ওপর ছুঁড়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল নিয়াশা। কলেজের নিত্যদিনের চাপ, বন্ধুদের টিটকারি, বাবা মায়ের মাত্রাতিরিক্ত আকাঙ্খা --- সবকিছুর ভার নিঃশব্দে গুটিগুটি পায়ে এসে নুব্জ করে দিয়েছে নিয়াশাকে। "ক্লাসের চেয়ে মনটা বাইরে কেন বেশি থাকে?" "ইস্, তোর ড্রেসিং সেন্স বলে কিছুই নেই, কী যাতা!" "এত টাকা খরচ করে পড়ানো হচ্ছে। বাবা মায়ের নামটা উজ্জ্বল করতে হবে তো নাকি?"। টুপ করে একটা জলবিন্দু নেমে এলো ওর গাল বেয়ে। শরীর টা এলিয়ে দিল হোস্টেলের বিছানায়। "আচ্ছা আমি যদি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাই এই দুনিয়া থেকে খুব কি ক্ষতি হবে....?"


Designed & Developed with ❤
by Nabanita Sarkar © 2021